গত ১৪ মার্চ ২০২৫ তারিখে এক ভিকটিম গাংনী থানায় এসে অভিযোগ করেন যে, তার পিতা মোঃ আশারুল হক (৪৫) তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। যার মামলা নং-১৭, তারিখ-১৪/০৩/২০২৫, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩) এর ৯(১) অনুযায়ী এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ রাত আনুমানিক ৯:৩০টার দিকে খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়ার পর, গভীর রাতে আনুমানিক ২:০০টার সময় ভিকটিম শরীরে স্পর্শ অনুভব করে জেগে ওঠে। মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে সে দেখতে পায়, তার পিতা তার বিছানায় বসে আছে। বিস্মিত হয়ে সে কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্ত কোনো কিছু না বলে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
মানসিকভাবে ভেঙে পড়া ও আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ভিকটিম ছয় দিন ঘরবন্দি থাকে। পরে তার মা বিষয়টি জানতে চাইলে, সে সব খুলে বলে। ভিকটিম আরও জানায়, এর আগেও তার পিতা বিভিন্ন সময়ে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিত, কিন্তু লজ্জায় কাউকে কিছু বলতে পারেনি।
ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে গাংনী থানা পুলিশ দ্রুত মামলা রুজু করে এবং সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছে।
গাংনী থানা পুলিশের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।